ঢাকা, ১৩ এপ্রিল-২০২৬
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : জাতীয়ভাবে চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা গারো ও অন্যান্য জাতি গোষ্ঠীর নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আগামীকাল থেকে ৭ দিনব্যাপী শুরু হচ্ছে বৈশাখী মেলা। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) ও বাংলা একাডেমি আয়োজিত এই মেলা প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় কৃষিজাত দ্রব্য, কারুপণ্য, লোকশিল্পজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, জিআই পণ্য, কুটির শিল্পজাত সামগ্রী, হস্তশিল্পজাত ও মৃৎশিল্পজাত সামগ্রী পাওয়া যাবে।
আগামীকাল বেলা সাড়ে ১১ টায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই মেলার উদ্বোধন করবে। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আযম বলেন, বৈশাখী মেলা মূলত সর্বজনীন লোকজ মেলা। প্রতিবছরের মতো এবারো বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। নববর্ষকে উৎসবমুখর করতে এ মেলার আয়োজন করা হয়। বাংলা একাডেমিতে সাধারণত ৩০ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করে থাকে। কিন্ত বই পড়াকে উদ্বুদ্ধ করতে বৈশাখী মেলায় ৭০ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করা হবে।
বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিসিকের মেলা সারাবছরই মতিঝিলসহ নানাস্থানে হয়ে থাকে। এবার ১৬০ টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যারমধ্যে চামড়াজাত পণ্য ৭ টি, জামদানী পণ্য ৬ টি, নকশিকাঁথা ৪ টি, বস্ত্র ৪৪ টি, শতরঞ্জি ৫ টি, মণিপুরি শাড়ি ২ টি সংগঠনকে স্টল দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিনামূল্যে প্রান্তিক কারুশিল্পীদের জন্য ১৩ টি স্টল, ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর জন্য ২ টি স্টল, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির জন্য ১ টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কারুশিল্পী জোন, বাচ্চাদের রাইড ও বিনোদন জোন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুতুল নাচ ও বায়োস্কোপ এর জন্য ১৩টি স্টল বরাদ্দ রয়েছে। তিনি বলেন, আগে বিসিকের আয়োজনে করা মেলায় লোকসমাগম কম থাকত, স্টলগুলোও পরিপূর্ণ থাকত না। আশার কথা এই যে, নানা শর্তে সংগঠনগুলোকে এখন এ মেলায় অংশগ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আছেন, যারা আর্থিক সঙ্গতির অভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত মেলাগুলোতে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। আবার তাদের অনেকের শোরুম বা মার্কেটে দোকান ক্রয় করার সামর্থ্যও থাকে না। আমরা তাদের বিশেষভাবে সহযোগিতা করছি। সুতরাং বৈশাখী মেলাটি এই গোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, বিসিক প্রতিষ্ঠাকাল থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে কাজ করে আসছে। নতুন উদ্যোক্তা অন্বেষণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, শিল্প নিবন্ধন প্রদান, প্রশিক্ষণ প্রদান, ঋণ সহায়তা প্রদানসহ উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার-প্রসার ও বাজারজাতকরণ এবং সম্প্রসারণের জন্য বছরব্যাপী পণ্যমেলা ও পণ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করে থাকে।
Related News :

আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন

অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু ৭ জানুয়ারি

জাবির আবৃতি সংগঠন 'ধ্বনি'র তিন দশকপূর্তি : সপ্তম ছায়ামঞ্চে পরিবেশিত হলো ‘শারদ প্রভা’

'ফেস অব বাংলাদেশ-২০২৬' নারী বিভাগে সেরা মুকুট অর্জন করলেন মানিকগঞ্জের মেয়ে-আফসানা

শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান

শিল্পকলায় শিল্পী তালিকাভুক্তকরণ কার্যক্রমের অডিশন ৩ অক্টোবর হচ্ছে না

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে রবিন ক্যানভাস চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

ভরতনাট্যমের নান্দনিকতায় ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে নৃত্যসন্ধ্যা ‘অনুরণন’

শিল্পকলায় দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা ‘নজরুলের ছন্দতরঙ্গ’ শুরু


