ঢাকা, ০৩ নভেম্বর-২০২৬
বিশেষ প্রতিবেদন : আজ ৩ নভেম্বর, ঐতিহাসিক জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে দিনটি গভীর শোক ও বেদনার। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের চার গুরুত্বপূর্ণ নেতা- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।
একই বছরের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ওই হত্যাকাণ্ডের পর তার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহকর্মী জাতীয় চার নেতাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় কারাগারের মতো নিরাপদ স্থানেও রক্ষা পাননি তারা। ৩ নভেম্বর রাতের অন্ধকারে তাদের হত্যা করা হয়।
জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি ‘জেলহত্যা মামলা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
দীর্ঘ ২১ বছর মামলাটির তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া কার্যত স্থবির ছিল। ১৯৯৬ সালের জুনে মামলাটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২৯ বছর পর, ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
Related News :

জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

মোংলা বন্দর, সুন্দরবন ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড 'জাতীয় পতাকা' প্রদান অনুষ্ঠিত

দুর্গাপূজায় উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

হাইতিতে গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্সে (GSF) অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অগ্রবর্তী দলের বাংলাদেশ ...

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বঙ্গোপসাগরে টেকসই ব্লু ইকোনমি বিকাশে বিমরাডের কর্মশালা অনুষ্ঠিত


