ঢাকা, ০৯ এপ্রিল-২০২৬
সোহেল রানা, (জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক) : জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার (লিগ্যাল এইড) মাধ্যমে সরকারি খরচায় ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জনকে আইনি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইড-এর মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, এ সময়ে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৬৪৩ মামলায় অসচ্ছল বিচার প্রার্থীকে আইনি সহায়তা দেওয়া হয়।
আরো পড়ুন : আবু সাঈদ হত্যা মামলা : ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ২৭ জনের কারাদণ্ড
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সংস্থার অধীনে সরকারি খরচায় এই সময়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৪৭৪ জন, দেশের ৬৪ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ১১ লাখ ৭৫ হাজার ৬৪৪ জন এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনি সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৪১ জনকে আইনি সহায়তা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের টোল ফ্রি-নম্বরের মাধ্যমে ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৭ জনকে আইনি সেবা দেয়া হয়।
দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচার প্রার্থী জনগণকে আইনি সহায়তা দিতে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এসব সেবা দেয়া হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
Related News :

নিবন্ধন-ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া সড়কে কোন ই-রিক্সা চলবে না : এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

বাংলা কিউআরভিত্তিক ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি লেনদেন সেবা চালু

ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২,২১৮

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক-২০২৭ : আবেদন পাঠানোর সময়সীমা বাড়ল

নিরাপত্তাঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর

প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা

সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৭ দিন বন্ধ থাকবে অনলাইন জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রমে গতি আনতে চেয়ারম্যানের নির্দেশনা বাস্তবায়নের তাগিদ



আমি আমার অধিকার থেকে বঞ্চিত হই বলে শিক্ষা অধিদপ্তরে ২০২৪~ এর জুলাই মাসে ( অবৈধ নিয়োগ ও পদোন্নতি) সংক্রান্ত একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করি । কিন্তু দূর্ভাগ্য বিষয় যে তদন্ত ( ২০২৫ – এর ১৯ ফেব্রুয়ারি মাসে) হয়ে যাওয়ার পর ও কোন মীমাংসা পত্র কলেজে আসতেছে না । অথচ কোর্ট থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে ২ মাসের মধ্যে যেন মীমাংসা করে দেয় । এই পরিস্থিতিতে আমি কোন পথ না পেয়ে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি ।
আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনার মেইলে রিপ্লােই দেওয়া হয়েছে।